খুলনায় র‌্যাবের অভিযানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জাল সনদপত্র ও বিভিন্ন পরিচয়পত্র জালিয়াতি চক্রের ০২ সদস্য আটক

দ্বারা zime
০ মন্তব্য 98 দর্শন

 

র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, প্রতারক, ও বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ঘটনার আসামী, গ্রেফতারসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করে জনগনের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৬ এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে খুলনা মহানগরীর একটি জালিয়াতি চক্রের সন্ধান পায়। যারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মার্কশীট ও সনদপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূয়া পরিচয়পত্র, জালকৃত জন্ম নিবন্ধন ইত্যাদি প্রস্তুত করে বিপুল পরিমান অর্থ হতিয়ে নেয় ।এছাড়াও বিভিন্ন মেডিকেল সার্টিফিকেট, ট্রেড লাইসেন্স এবং বিভিন্ন প্রকার সনদপত্র তৈরী করে দেশের সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারনা করে আর্থিক ভাবে লাভবান হয়। র‌্যাব-৬ এর একটি চৌকশ আভিযানিক দল উক্ত গ্রুপটির প্রতারনা মূলক কার্যক্রমের উপর নজরদারী বৃদ্ধি করে।

এরই প্রেক্ষিতে ০৪ অক্টোবর ২০২১ তারিখ বিকাল অনুমান ১৭.৩০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-৬ (সদর কোম্পানি) খুলনার একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কেএমপি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানাধীন বয়রা বাজারস্থ প্রত্যাশা প্লাজার ২য় তলায় ১। রনি ওয়ান লাইন সলিউশন, ২। অয়ন কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার নামে ০২টি দোকানে অভিযান পরিচালনা করে ০২ জন প্রতারককে প্রতারনার বিভিন্ন উপকরনসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে প্রতারনার কাজে ব্যবহৃত ০২টি সিপিইউ, ০২টি মনিটর, ০২টি কিবোর্ড, ০২টি মাউস, ০১টি স্কেনার, ০৩টি প্রিন্টার উদ্ধার করে।

র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লে.কর্ণেল লেফটেন্যান্ট কর্নেল মূহামমদ মোসতাক আহমদ, বি এস পি, পি এস সি আজ সকালে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে একজনের নাম ইয়াসিন হোসেন (২৮), পিতা- মোঃ আব্দুর রহিম মোল্লা, মাতা- রিনা বেগম, সাং- বয়রা বাজার ১৬ নং ওয়ার্ড, থানা- সোনাডাঙ্গা, জেলা-খুলনা এবং অপর জনের নাম শীবপদ মন্ডল (৪৩), পিতা-মৃত কালিপদ মন্ডল মাতা- ফুলমতি মন্ডল, সাং- মধুখালি ০৩ নং ওয়ার্ড, থানা- পাইকগাছা, এপি সাং- বুড়ারবাড়ি সবুরের মোড় বয়রা বাজার সংলগ্ন, থানা- সোনাডাঙ্গা, জেলা- খুলনা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় জালিয়াতি করে সম্মানিত নাগরিকদের সাথে প্রতারনা করে এবং বিভিন্ন মানুষকে এসব সনদের প্রলোভন দেখিয়ে সর্বশান্ত করার বিষয়টি স্বীকার করে।

তিনি আরো জানান,গ্রেফতাকৃত আসামীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কেএমপি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন ।

০ মন্তব্য

আরও পোস্ট পড়ুন

মতামত দিন