
খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কর্তৃক খুলনা রেঞ্জে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ০৫ (পাঁচ) বছরে সারাদেশে ২৫ (পঁচিশ) কোটি বৃক্ষ রোপণের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, রেঞ্জ ডিআইজি’র কার্যালয় সহ রেঞ্জাধীন ১০ টি জেলার পুলিশ অফিস, পুলিশ লাইন্স, ০৩ টি ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, আরআরএফ, খুলনা, ২৯টি সার্কেল অফিস, ৬৪টি থানা, ১৫টি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, ২৪টি পুলিশ ফাঁড়ী ও ১৫৪টি স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প প্রাঙ্গণসহ খুলনা রেঞ্জে ৩০ (ত্রিশ) হাজার বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি নিজ কার্যালয় প্রাঙ্গণে রবিবার সকালে বৃক্ষ রোপণ করেন।
বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন তোফায়েল আহমেদ, অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অর্থ ও প্রশাসন), রেঞ্জ ডিআইজি’র কার্যালয়, খুলনা, শেখ জয়নুদ্দীন, অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অপারেশন), রেঞ্জ ডিআইজি’র কার্যালয়, খুলনা, মোঃ কামরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অপারেশনস্), রেঞ্জ ডিআইজি’র কার্যালয়, খুলনা,মোঃ সাজ্জাদুর রহমান রাসেল, পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন), রেঞ্জ ডিআইজি এর কার্যালয় খুলনা, মোঃ তাজুল ইসলাম, পুলিশ সুপার, জেলা পুলিশ, খুলনাসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
![]()
প্রাসঙ্গত: খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো: মোস্তাফিজুর রহমান গত ইং ০৭/০৭/২০২৬ খ্রি. খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। যোগদানের পর অদ্য ২৬/০৭/২০২৬ খ্রি. খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি খুলনা অঞ্চলের ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে রেঞ্জ ডিআইজি’র কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে বৃক্ষ রোপণ এবং আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। উক্ত মতবিনিময় সভায় মাদক নির্মূল এবং মাদকের অপব্যবহার রোধ, চোরাচালান রোধ ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, সুন্দরবনে দস্যুতা প্রতিরোধ সংক্রান্তে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন। অপরাধীরা কেএমপি, খুলনায় বিভিন্ন অপরাধ করে কেএমপি খুলনার সংলগ্ন খুলনা জেলার থানা গুলোতে যাতে আশ্রয় না নিতে পারে সেজন্য অপরাধীদের গ্রেফতারের নিমিত্তে এস ড্রাইভ (একই সময়ে সর্বোত্র অভিযান) পরিচালনার কথা উল্লেখ করেন। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তিনি চার ধরণের পুলিশিং ব্যবস্থা (১) ইনটেলিজেন্স নির্ভর পুলিশিং, (২) টেকনোলজি নির্ভর পুলিশিং, (৩) কমিউনিটি পুলিশিং ও (৪) ট্রাডিশনাল পুলিশিং এর সমন্বয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ডিআইজি, খুলনা রেঞ্জ সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে খুলনা রেঞ্জকে মাদক ও সর্বপ্রকার অপরাধমুক্ত করতে খুলনা রেঞ্জ পুলিশের অবস্থান “জিরো টলারেন্স” নীতি উল্লেখ করেন। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে তিনি সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতার পাশাপাশি সাংবাদিকদের কাছ থেকেও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
