নারী কর্মীকে জড়িয়ে ফ্যামিলি প্লানিং অফিসার কামাল হোসেনের নামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

দ্বারা zime
০ মন্তব্য 53 দর্শন

আমি মো. কামাল হোসেন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, হিসেবে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, তালা, সাতক্ষীরা-তে কর্মরত ছিলাম এবং এর পাশাপাশি বিগত ২৬/০৮/২০২৫খ্রিঃ তারিখ হতে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, শ্যামনগর, সাতক্ষীরাতে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছিলাম। আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে বিভ্রান্তিকর, মানহানিকর, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট খবর প্রকাশিত হয়েছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বিগত ১৫/১০/২০২৬খ্রিঃ আমাকে ভেড়ামারা, কুষ্টিয়াতে বদলি করা হয়। সে প্রেক্ষিতে আমাকে গত ১৭/১০/২০২৬ তারিখে উপপরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, সাতক্ষীরা জেলা, সাতক্ষীরা মহোদয় দায়িত্ব হস্তান্তর করতে দাপ্তরিক আদেশ দেন। আমার কাছে সরকারি আদেশবলে রক্ষিত দুইটি উপজেলার সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের তিনটি আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তার দায়িত্ব থাকায় সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক কাজ দ্রুত শেষ করে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রস্তুতির মাঝেই আমাকে নিয়ে বানোয়াট, উদ্দেশ্যমূলক, মানহানিকর বিভিন্ন খবর প্রকাশিত হয়েছে যা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। কোন এক স্বার্থান্বেষী মহলের যোগসাজশে আমার সাবেক স্ত্রী (যার সাথে এক বছর আগে আমার ডিভোর্স হয়েছে) এমন কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে আমার অনুমান।
আমার সম্পর্কে এমন উদ্ভট, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রকাশ করে শুধু আমার সামাজিক অবস্থানকেই হুমকির মুখে ফেলা হয়নি, বরং একজন সরকারি কর্মকর্তাকে অপমানিত ও নিরাপত্তাহীনতার মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে একজন নারী কর্মীকেও অসম্মানিত ও অপমানিত করা হয়েছে।
বিভিন্ন সংবাদে যে গালগল্প ছাপানো হয়েছে তার কোন ভিত্তি নেই। এক বছর আগে আমাকে জখম করে জীবননাশের চেষ্টা ও দীর্ঘ দাম্পত্য কলহের জের ধরে বিগত ২৬/১০/২০২৫ তারিখে আমার সাবেক স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিনের সাথে আইনিভাবে আমার বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি ঘটে এবং বিধি মোতাবেক ২৬/০২/২০২৬ তারিখে ডিভোর্স কার্যকর হয়। ইতোমধ্যে তালাকের সার্টিফিকেট আমার কাছে রয়েছে। এছাড়া, আমার সন্তান নাবালক হওয়ায় আমি আমার কাছে রাখতে পারিনি বলে প্রতিমাসে সন্তানের ভরণপোষণ বাবদ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় টাকা পাঠিয়ে দিই (ব্যাংকের স্টেটমেন্ট সংরক্ষিত রয়েছে)। এছাড়াও সময়ে সময়ে সন্তানের অসুস্থতা, উৎসব বা অন্যান্য প্রয়োজনে আমিও অতিরিক্ত টাকাও পাঠাই (ব্যাংকের স্টেটমেন্ট রয়েছে)।
আমার সাথে অন্য উপজেলার একজন নারী কর্মীকে জড়িয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা পরিপূর্ণভাবে মিথ্যা। আমার কোন ফেসবুক একাউন্ট নেই এবং আমার যে ছবি প্রকাশিত হয়েছে তা আমার দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আপলোড করা ছবি এবং সংশ্লিষ্ট নারী কর্মীর ছবির সাথে এডিট করে জুড়ে দিয়ে আমার সম্মানহানি করা হয়েছে। প্রকাশিত ছবিতে কোনভাবেই আমার যুক্ত থাকার প্রমাণ নেই; ফলে আমাকে হেয় করার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই ছবি পোস্ট করা হয়েছে।

পরকিয়া বা নৈতিক স্খলনের অভিযোগের কোন সত্যতা থাকলে এক বছর আগে যখন ডিভোর্স হয় নিশ্চয়ই আমার সাবেক স্ত্রী এতদিনে আইনের আশ্রয় নিতেন। সুতরাং পরকিয়ার অভিযোগ সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন এবং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে এ অভিযোগ আনা হয়েছে। যেখানে এক বছর ধরে আমার স্ত্রীই নেই, সেখানে পরকিয়ার প্রশ্ন আসে কোথা থেকে!আমার নামে যে দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তাও মিথ্যা। আমার নামে কোথাও কোন হোটেল নেই এবং ঘুষের অভিযোগও অসত্য। উপরন্তু, আমি আমার কর্মজীবনে ঘুষ গ্রহণ করেছি এমন একটা প্রমাণ হাজির করতে পারলে আমি স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে চলে যাবো।

মূলত, ডিভোর্সের পর থেকে আমার সাবেক শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে আমাকে নানা ভাবে দেখে নেওয়া, মানসম্মান নষ্ট করাসহ চাকরি খাওয়ার হুমকি দেওয়া হতো। গত কয়েকদিন আগে আমাকে আমার সাবেক স্তীর ভাই গিয়াস উদ্দিন হুমকি দিয়ে হোয়াটসএপে ভয়েস মেসেজ পাঠায় যেখানে সে বলে,তোকে এবার সাইজ করবো”, “কেস কাকে বলে দেখবি”, “তুই রেডি হ” ইত্যাদি। সেই ভয়েস মেসেজের বিষয়ে ইতোমধ্যে আমার ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, রেকর্ড সংরক্ষিত আছে।আমার বিষয়ে প্রকাশিত সকল মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমার উকিলের সাথে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। সেই সাথে সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি ব্যতিরেকে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ না করে নির্মোহ ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশের জন্য সাতক্ষীরা জেলার সকল সা্ংবাদিক ভাইদের সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রাসংঙ্গত : চলতি বছর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কামাল হোসেন তার স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন কে বনিবনা না হওয়াতে ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক দেন মোহরের টাকা দিয়ে তালাক প্রদান করেন।বর্তমানে কামাল হোসেন তার বাচ্চাদের মাসে মাসে ভরণ পোষণের টাকা দিয়ে যাচ্ছেন তার সাবেক স্ত্রীর ডাচ বাংলা ব্যাংক এ্যাকাউন্টে।





০ মন্তব্য

আরও পোস্ট পড়ুন

মতামত দিন