খুলনা রেঞ্জে ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

দ্বারা Update Satkhira
০ মন্তব্য 29 দর্শন

খুলনা বিভাগের ছয়টি জেলায় অনৈতিক সুবিধার গ্রহণের অভিযোগে ২৮ জন পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার এই দুই দিনে পুলিশ সদস্যদের সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ লাইনসহ আরআরএফএ পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগ তদন্তসাপেক্ষে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি অফিসের আওতাধীন ১০টি জেলার পুলিশ সদস্যদের ভেতর উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল করিমের নেওয়া এমন উদ্যোগকে অনেকে সাধুবাদ জানালেও দুর্নীতিবাজ পুলিশ সদস্যরা পড়েছেন বিপাকে। জানা যায়, পুলিশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ শুরু করেছে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি। যার ফলে বেতন-ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগে বিভিন্ন থানা ও ইউনিটের ২৮ পুলিশ সদস্যকে একযোগে ক্লোজড করা হয়েছে। তালিকায় বাবুর্চি থেকে এসআই পর্যন্ত পদমর্যাদার পুলিশ সদস্য রয়েছেন। খুলনা জেলায় ৯ জন, বাগেরহাট জেলায় ৯ জন, যশোর জেলায় ২ জন, ঝিনাইদহ জেলায় ৩ জন, কুষ্টিয়া জেলায় ৪ জন এবং চুয়াডাঙ্গা জেলায় ১ জনসহ মোট ২৮ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। প্রত্যাহার হওয়া এসব পুলিশ সদস্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় ক্যাশিয়ার হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে বেতনের বাইরে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ আছে।

প্রত্যাহারের বিষয়ে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল করিম যুগান্তরকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কাজ করা হচ্ছে। প্রায় ২৮ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তারা বেতনের বাইরে অনৈতিক সুবিধা নিতেন। সংশ্লিষ্ট এলাকায় ক্যাশিয়ার হিসাবে পরিচিত ছিল। পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে আইজিপির নির্দেশনায় আমরা বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছি। এটি তার একটি অংশ। যাদের ক্লোজড করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্ত শেষে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
ক্লোজড হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন : খুলনা জেলায় ৯ জনের মধ্যে দিঘলিয়া থানার এসআই লিটন, কনস্টেবল রব, পাইকগাছা থানার এএসআই রবিউল এবং এসআই কামরুজ্জামান, কয়রা থানার এএসআই জাহিদ, রূপসা থানার এসআই শহিদুল, তেরখাদা থানার পুলিশের বাবুর্চি সোহেল, ডুমুরিয়া থানার কনস্টেবল মহাসিন এবং ডিবি কনস্টেবল রাসেল ও ইমরুল। বাগেরহাট জেলায় ৯ জনের মধ্যে সদর থানার আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোল্লাহাট থানার পুলক বিশ্বাস, চিতলমারী থানার মো. জাহিদুর রহমান, ফকিরহাট থানার এএসআই অমিত কুমার মন্ডল, রামপাল থানার স্বরূপ হালদার, মোড়েলগঞ্জ থানার এএসআই মো. কিশোর কুমার, শরণখোলা থানার এএসআই
তুষার কান্তি পাল, ডিএসবি মোহাম্মদ আহাদ আলী, জেলা গোয়েন্দা শাখার আনিসুর রহমান।

যশোর জেলার কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই বাবর আলী, চৌগাছা থানার এএসআই শান্ত, ঝিনাইদহ জেলার সদর থানার এসআই রোকনুজ্জামান, কনস্টেবল রবিউল ইসলাম, কালিগঞ্জ থানার এএসআই সোহাগ হোসেন, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার এসআই লিংকন সরকার, ভেড়ামারা থানার কনস্টেবল রাকিব হোসেন, কনস্টেবল জাকির হোসেন, ট্রাফিক শাখার কনস্টেবল সৈয়দ মোল্লা এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার ট্রাফিক কনস্টেবল আকরাম। এছাড়া পুলিশ সদস্যের বাইরে খুলনার দাকোপ থানার ঝাড়ুদার রাসেল এবং বাগেরহাট জেলার মোংলা থানার মোহাম্মদ আলম হোসেন নামে ২ জনকে অপসারণ করা হয়েছে।





০ মন্তব্য

আরও পোস্ট পড়ুন

মতামত দিন