সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের চৌবাড়িয়ায় করোনার উপসর্গ নিয়ে খায়রুল ইসলাম (৬০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল গফুর সরদারের ছেলে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী জানান, গত ৪/৫ আগে তিনি চট্টগ্রাম থেকে তার নিজ বাড়ি চৌবাড়িয়ায় এসেছেন। সেখানে তিনি একটি ইটভাটায় কাজ করতেন। বাড়িতে আসার পর তিনি সর্দি, কাশি ও পাতলা পায়খানায় আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার গভীর রাতে মারা যান। ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা স্বাস্থ্যবিভাগের পক্ষ থেকে তার স্ত্রী ও সন্তানের নমুনা সংগ্রহ করে খুলনা পিসিআর ল্যাবে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এছাড়া তার বাড়ি লক ডাউন করে সেখানে টানানো হয়েছে লাল পতাকা। তবে, দেরীতে মৃত্যুর খবর পাওয়ায় মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার ।

মৃত ব্যক্তির ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, তার পিতার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন। তবে, তার সর্দি ও কাশি দীর্ঘদিনের রোগ।

এদিকে, সাতক্ষীরায় বিদেশ ফেরত মোট ৩ হাজার ৫৭৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ছাড় পত্র দেয়া হয়েছে আরো ৩ হাজার ৫৪২ জনকে। এছাড়া মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের আসোলেশনে রয়েছে ১ জন ও যুবউন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে আরো ৭ জন। এছাড়া, সাতক্ষীরা জেলা থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩১৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর ও পিসিআরল্যাবে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে ১৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পৌঁছেছে। ১৭৩ টি রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। অর্থাৎ সাতক্ষীরা জেলায় এখনও পর্যন্ত কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি।

 

সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামান জানান খবর পেয়ে সাতক্ষীরা থানার এসআই আবু হানিফ,এএসআই মাহামুদ ও সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং মৃতের দাফন কার্যে অংশ গ্রহণ করেন। তিনি জানান মৃত ব্যক্তির সহ তার আশেপাশের কয়েকটি বাড়িতে লাল পতাকা টানিয়ে লক ডাউন করা হয়েছে।তিনি আরো জানান সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে লক ডাউন করা বাড়িতে ত্রাণ সামগ্রী পৌছে দেওয়া হবে।





০ মন্তব্য

আরও পোস্ট পড়ুন

মতামত দিন