
সারাদেশে কৃষকদের মাঝে ডিজেল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের বিফিংকালে মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আজ সারাদেশে ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনলাইনে মিটিং করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকরা মিটিংয়ে যুক্ত ছিলেন। সেখানে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ডিজেল মজুদ আছে বলে ডিসিদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সারাদেশে কৃষকদের মাঝে চাহিদা মতো ডিজেল প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সরকারের নির্দেশনার পর সারাদেশে কৃষকদের মাঝে ডিজেল প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে এবং সব কৃষক প্রয়োজন মতো ডিজেল পাবেন বলে এ সময় মনির হোসেন আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, সরকারের কাছে বর্তমানে ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৭৪ টন ডিজেল মজুদ আছে। তাই সারাদেশে কৃষকদের ডিজেল দিতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো অসুবিধা নেই।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের ডিজেল প্রাপ্তিতে কোন অসুবিধা হলে স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ডিজেল ছাড়াও অকটেন ও পেট্রোলের কোনো সমস্যা নেই। গত দিনগুলোতে যেভাবে সরকারের পক্ষ থেকে সারাদেশে পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হতো, বর্তমান সময়েও সেভাবেই সরবরাহ করা হচ্ছে।তিনি বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ অবস্থার কারণে অনেকেই হয়তো দাম বাড়ানোর সুযোগ নিতে গিয়ে অন্যায়ভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করছেন। এই মজুদের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান অব্যাহত আছে।জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এই যুগ্ম সচিব বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ অব্যবস্থার কারণে অনেক গ্রাহকও মনে করছেন যে, যদি জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যায় তাই তারাও অতিরিক্ত তেল কিনে রাখার প্রবণতায় নেমেছেন। সে হিসেবে অনেক গ্রাহক ও চাহিদার তুলনায় বেশি তেল নিতে পাম্পে ভিড় করছেন। এসব কারণেও পেট্রোল পাম্পে ভিড় বাড়ছে।
মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, সারাদেশে গ্রাহকদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি।তিনি বলেন, সরকারের কাছে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সারাদেশে সংশ্লিষ্ট ডিপো কর্তৃপক্ষ ও পেট্রোলপাম্প মালিকদের প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সূত্র: বাসস।
