সাতক্ষীরার কিংবদন্তী ফিফা রেফারি তৈয়েব হাসানের জন্ম দিন


 

🎂🎂শুভ জন্মদিন🎂🎂
ফিফা রেফারি⚽তৈয়েব হাসান⚽
এএফসির এওয়ার্ড প্রাপ্ত একমাত্র রেফারি।

তাঁর পুরো নাম তৈয়েব হাসান শামসুজ্জামান বাবু। ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তৈয়েব হাসান নামেই পরিচিত এবং সমাদৃত। তিনি দেশে-বিদেশে রেফারিংয়ে সার্টিফিকেট কোর্স এবং রিপোটিং কোর্স সম্পন্ন করেন।

এএফসির এলিট প্যানেলে রামকৃষ্ণের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি রেফারি হিসাবে নিজের অবস্থান করে নিয়েছিলেন তৈয়েব হাসান। একসময় এশিয়ার সেরা ২৫ রেফারির তালিকায়ও ছিলেন তিনি।

১৯৮৩ সালে সাতক্ষীরা শহরে রেফারিং শুরু করেন। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে তালিকাভুক্ত হন ১৯৮৯ সালে। ১৯৯২ সালে দৈনিক আজাদ পরবর্তীতে দৈনিক জনকন্ঠের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৪ সালে সাতক্ষীরা কলেজে যোগদানের মধ্য দিয়ে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন। তবে ১৯৯৭ সালে ঢাকা ফিজিক্যাল কলেজ থেকে বিপিএড, উত্তরা ইউনিভার্সিটি থেকে এমপিএড এবং ডি.বি.খান হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল থেকে ডিএইচএমএস পাশ করেন।

ফিফা রেফারি হিসাবে ম্যাচ পরিচালনা শুরু করেন ১৯৯৯ সালে। কিছুদিন পরই ফিফার এলিট প্যানেলে যুক্ত হয়ে বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়িং, অলিম্পিক কোয়ালিফায়িং, এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লীগ, বিভিন্ন রাউন্ড টুর্নামেন্টসহ শতাধিক আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনা করেন। রেফারিং জীবনে এএফসি চ্যাস্পিয়ন্স লীগে জাপান-কোরিয়া, এশিয়ান কাপ কোয়ালিফাইং, উজবেকিস্তান, আরব-আমিরাত, উঃকোরিয়া-জাপান ম্যাচ এবং ২০১৩ সাফ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনা করেন।

তিনি সাউথ এশিয়ান হিসাবে প্রথম ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনা করেছিলেন। এই ম্যাচগুলো পরিচালনায় তিনি কোরিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, হংকং, তাইয়ান, চীন, মঙ্গোলিয়া, ইরান, ইরাক, মালেশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাউস, জর্ডান, ওমান, উজবেকিস্তান, কাজাকিস্তান, তাজাকিস্থানসহ এশিয়ার প্রায় সব দেশে ফিফা, এএফসি এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।

রেফারিংয়ে বিশেষ কৃতিত্বের জন্য তিনি এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি), বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে), সাতক্ষীরা জেলা সমিতি-ঢাকা, সোনালী অতীত ক্লাব-ঢাকা, বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি, বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন সহ বিভিন্ন জাতীয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সেরা রেফারিংয়ে সম্মাননা পেয়েছেন এবং এশিয়ান ফুটবল কনফিডারেশন (এএফসি) এর তৎকালীন প্রেসিডেন্টও তাঁকে সম্মাননা প্রদান করেন।

সবচেয়ে বেশি সময় (১৮ বছর) এবং সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারি Tayeb Hasan ১৯৭০ সালের ৯ জানুয়ারি সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম মরহুম আব্দুস সবুর ও মাতার নাম সৈয়দা খানম। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই কন্যার জনক। শুভ কামনা আজকের দিনে।

এই কিংবদন্তি ফিফা জয়ী রিফারির শুভ জন্ম দিনে আপডেট সাতক্ষীরা পরিপারের পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page